দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের রাজনৈতিক অবস্থানের বড় পরিবর্তনগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর সমালোচক থেকে তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগীতে পরিণত হওয়া।
২০১৫ সালে রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে অংশ নিয়েছিলেন গ্রাহাম। সে সময় তিনি তৎকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিমদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেন। এমনকি তিনি বলেছিলেন, রিপাবলিকানদের উচিত ট্রাম্পকে প্রত্যাখ্যান করা।
২০১৬ সালের রিপাবলিকান দলের প্রাথমিক নির্বাচনে গ্রাহাম ছিলেন ট্রাম্পের অন্যতম কঠোর সমালোচক। তিনি ট্রাম্পকে রিপাবলিকান পার্টির ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্বল প্রার্থী হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। একই সঙ্গে সতর্ক করেছিলেন, ট্রাম্পকে প্রার্থী করা হলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সাধারণ নির্বাচনে তিনি ট্রাম্পকে ভোটও দেননি।
তবে ২০১৭ সালের মার্চে তৎকালীন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর গ্রাহামের অবস্থানে পরিবর্তন আসে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি সিনেটে প্রেসিডেন্টের অন্যতম বিশ্বস্ত কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে নিজেকে ট্রাম্পের ‘উত্তর তারকা’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতিমালা বাস্তবায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন গ্রাহাম। বাজেট কাঠামোর মাধ্যমে কর কমানো এবং সামাজিক কর্মসূচিতে পরিবর্তনের প্রস্তাবসহ ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ এগিয়ে নিতে তিনি কাজ করেন। এসব উদ্যোগের মধ্যে ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত প্যাকেজটি ছিল অন্যতম, যার সমালোচনা করেছিল ডেমোক্র্যাটরা।
সিনেটের বিচার বিভাগীয় কমিটির সদস্য হিসেবে গ্রাহাম ট্রাম্পের মনোনীত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ব্রেট কাভানার পক্ষে অন্যতম জোরালো সমর্থক ছিলেন। কাভানার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠার পরও তার মনোনয়ন রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন গ্রাহাম।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে ট্রাম্পবিরোধী অবস্থান নিলেও পরবর্তী সময়ে তিনি ট্রাম্পের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্রে পরিণত হন এবং রিপাবলিকান রাজনীতিতে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেন।
সূত্র: সিএনএন
/অ